খবর বার্তা প্রতিনিধি : বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘রিমাল’ উপকূলে ধেয়ে আসার আশঙ্কায় যে কোনও পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রস্তুত কয়রা উপজেলা প্রশাসন। এজন্য উপজেলায় সকল ধনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করে কয়রা উপজেলা পরিষদের হলরুমে দূর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ে জরুরী সভা করেছে উপজেলা প্রশাসন। খোলা হয়েছে কন্ট্রোল রুম। উপজেলা প্রশাসনের নির্দেশনায় মানুষ সচেতন ও নিরাপদে থাকার জন্য সুন্দরবন তীরবর্তী ও বিভিন্ন এলাকার সিপিপি, পুলিশ, কোস্ট গার্ড ও এলাকার মসজিদে মাইকিং করা হচ্ছে। বৈরী আবহাওয়ার কারনে সোমবার সকাল থেকে গোটা কয়রা উপকূলীয় এলাকায় থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। বাতাসের তীব্রতা আস্তে আস্তে বৃদ্ধি পাচ্ছে। নদ-নদীর পানি স্বাভাবিকের চেয়ে সামান্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ওভার ফ্লো ঠেকাতে এলাকাবাসি বেঁড়িবাধের উপর দিয়ে মাটি দিচ্ছে। জলোচ্ছ্াসে সবচেয়ে বেশী আতঙ্কে রয়েছে উপজেলায় তিন লক্ষাধিক মানুষ। স্থানীয় সংসদ সদস্য মোঃ রশীদুজ্জামান প্রশাসন ও নেতা কর্মীদের সাথে নিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমাল মোকাবেলায় বিভিন্ন ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার পরিদর্শন ও কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করছেন। মোংলা সমুদ্র বন্দর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হলে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে জোর মাইকিং চলমান থাকলেও মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্রে যেতে দেখা যাচ্ছে না। উপজেলা নির্বাহী অফিসার বি এম তারিক উজ- জামান বলেন,উপজেলায় মোট ১১৬ টি সাইক্লোন শেল্টাসহ বিদ্যালয় গুলো প্রস্তুত রাখা হয়েছে। সার্বিক বিষয় মনিটরিং করা হচ্ছে।ক্ষয় ক্ষতি পরিমাণ কমিয়ে আনতে নিরাপদ আশ্রয়ে আনতে মাইকিং চলমান আছে। পানিউন্নয়ন বোর্ডের সাথে আলোচনা করে ঝুকিপুর্ণ বেড়িবাঁধ মেরামতের চেষ্ঠা চলছে।
ঘুর্ণিঝড় রিমাল সুন্দরবন উপকূলে নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে প্রশাসনের মাইকিং
ফেসবুকে ফলো করুন



