কক্সবাজার প্রতিনিধি : কক্সবাজারের রামু উপজেলায় ট্রেনের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার আরও এক যাত্রী মারা গেছেন। এ নিয়ে মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
শনিবার (২ আগস্ট) দুপুর দুইটার দিকে রামুর রশিদনগর রেলক্রসিংয়ে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- অটোরিকশাচালক ঈদগাঁও মেহেরঘোনা এলাকার ছৈয়দ নুরের ছেলে হাবিবুর রহমান, যাত্রী কক্সবাজার সদর উপজেলার পোকখালী ইউনিয়নের গোমাতলী এলাকার নাজির হোসেনের মেয়ে মর্জিনা আকতার, তার শিশুসন্তান ও একই এলাকার রেনু আকতার। অপরজনের পরিচয় মিলেনি।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রামু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মোহাম্মদ ফরিদ।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি চট্টগ্রামের দিকে যাচ্ছিল। এ সময় ক্রসিং পার হচ্ছিল অটোরিকশাটি। ট্রেনের ধাক্কায় অটোরিকশাটি ট্রেনটির নিচে চলে যায়। যাত্রীসহ অটোরিকশাটিকে প্রায় এক কিলোমিটার ঠেলে নিয়ে যায় ট্রেনটি। এতে ঘটনাস্থলে চালকসহ তিনজন ও হাসপাতালে দুজনের মৃত্যু হয়।
দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী কক্সবাজার সদরের ভারুয়াখালী অংশে রেললাইন অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। এতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষুব্ধ জনতা কক্সবাজারগামী ‘পর্যটক এক্সপ্রেস’ ট্রেনে ভাঙচুর চালায় এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ট্রেন চলাচল প্রায় দুই ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়। পরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সহায়তায় ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।



