অভ্যুত্থানের এক বছর: সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ কারাগারে ১৬০ ‘ভিআইপি’

465
ফেসবুকে ফলো করুন

ডেস্ক রিপোর্ট : চব্বিশের জুলাই-অগাস্টের তুমুল গণআন্দোলনে ব্যাপক সংঘাত, সহিংসতা আর প্রাণহানির মধ্যে দিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের টানা দেড় দশকের শাসনের অবসানের পর পঞ্জিকার পাতায় ফের জুলাই এসেছে।

এ সময়ের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের দিনগুলোর নানা ঘটনায় করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়েছেন সাবেক মন্ত্রী-এমপিসহ দেড়শর বেশি প্রভাবশালী ব্যক্তি।

তাদের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, হামলার নির্দেশ ও জড়িত থাকার অভিযোগে দেশজুড়ে সহস্রাধিক মামলা হয়েছে। কেবল ঢাকাতেই আন্দোলনকেন্দ্রিক মামলা হয়েছে ৬৬৮টি।

এর বাইরে দুর্নীতি, অনিয়ম, অর্থপাচার, অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশনেও (দুদক) অনেকের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও মামলা হয়েছে। দুদকের আবেদনে আসামিদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞার পাশাপাশি ফ্ল্যাট-প্লট, সম্পদ ও ব্যাংক হিসাব জব্দের আদেশ দিয়েছে আদালত।

বেশিরভাগ মামলার আসামি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা, সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালসহ অনেকেই এখন নাগালের বাইরে। শেখ হাসিনা অবস্থান করছেন ভারতে। অন্য নেতাদের অনেকেরই বিদেশে থাকার খবর চাউর হয়েছে বিভিন্ন সময়ে।

তাদের বিরুদ্ধে জুলাই অভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ২৭টি মামলা হয়েছে। শেখ হাসিনাসহ ২০৬ জনকে মামলাগুলোতে আসামি করা হয়েছে; গ্রেপ্তার হয়েছেন ৭৩ জন।

এখন পর্যন্ত চারটি মামলায় ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এর মধ্যে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা মামলা রয়েছে। বাকি তিনটি রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় ছয়জনকে গুলি করে হত্যা, রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে হত্যা ও লাশ পোড়ানোর ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা।

২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট সরকার পতনের পর ঢাকাতেই ৬৬৮টি মামলা হওয়ার তথ্য দিয়েছেন ডিএমপি মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।

তিনি বলেন, “আসামিও অনেকে। তবে মামলার ঘটনার সঙ্গে যাদের সম্পৃক্ততা পাওয়া যাচ্ছে, তদন্ত কর্মকর্তারা তাদের গ্রেপ্তার করছেন।”

আর কারা অধিদপ্তরের সহকারী মহাপরিদর্শক (এআইজি উন্নয়ন ও গণমাধ্যম) জান্নাত-উল ফরহাদ বর্তমানে দেশের বিভিন্ন কারাগারে ১৬০ জন ‘ভিআইপি আসামি’ থাকার তথ্য দিয়েছেন, যারা ‘ডিভিশন’ সুবিধা পাচ্ছেন।

বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডকমকে তিনি বলেন, “তাদের মধ্যে ৭৫ জন কেরাণীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগার ও কাশিমপুর কারাগারে রয়েছেন। বাকিরা বিভিন্ন কারাগারে রয়েছেন। নিরাপত্তার স্বার্থে কে কোথায় তা বলা যাচ্ছে না।”

গ্রেপ্তার পরিক্রমা

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের আট দিন পর ১৩ অগাস্ট জুলাই আন্দোলনের ঘটনায় প্রথম মামলা হয় ঢাকার আদালতে।

সেখানে আসামি করা হয় শেখ হাসিনা, ওবায়দুল কাদের, আসাদুজ্জামান খান কামালসহ সাতজনকে। এরপর একে একে ঢাকাসহ সারা দেশে মামলা ও গ্রেপ্তারের খবর আসতে থাকে।

অগাস্ট

২০২৪ সালের ৯ অগাস্ট আটক হন চট্টগ্রাম-১১ আসনের এমপি এম আব্দুল লতিফ। নগরীর মাদারবাড়ি নসু মালুম মসজিদ এলাকা থেকে তাকে জনরোষ থেকে উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। পরে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

সালমান এফ রহমান

সালমান এফ রহমান

 

এরপর ১১ অগাস্ট ভোরে হাতিয়া পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের চর কৈলাস এলাকার বাড়ি থেকে নোয়াখালী-৬ (হাতিয়া) আসনের সাবেক এমপি মোহাম্মদ আলী, তার স্ত্রী সাবেক এমপি আয়েশা ফেরদাউসকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৩ অগাস্ট ‘নৌপথে পালানোর সময়’ রাজধানীর সদরঘাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

 

পরদিন ১৪ অগাস্ট রাজধানীর খিলক্ষেতের নিকুঞ্জ আবাসিক এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয় দ্বাদশ সংসদের ডেপুটি স্পিকার শামসুল হক টুকু, সাবেক প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ আহমেদ পলক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকতকে।

১৫ অগাস্ট গভীর রাতে ঢাকার খিলক্ষেত এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন এনটিএমসির সাবেক মহাপরিচালক জিয়াউল আহসান।

১৬ অগাস্ট সাবেক পানিসম্পদমন্ত্রী ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সাবেক এমপি রমেশ চন্দ্র সেনকে সদর উপজেলার রুহিয়া এলাকার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এর দুদিন পর ১৯ অগাস্ট সন্ধ্যায় রাজধানীর বারিধারা থেকে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মন্ত্রী দীপু মনি গ্রেপ্তার হন। আর ধানমন্ডি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন সাবেক ক্রীড়া উপমন্ত্রী আরিফ খান জয়।

২০ অগাস্ট রাতে রাজধানীর গুলশান থেকে সাবেক এমপি, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন এবং বনানী এলাকা থেকে চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সোহাইলকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই দিন সাবেক মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী এবি তাজুল ইসলামকে গুলশান থেকে, কক্সবাজার-৪ আসনের সাবেক এমপি আব্দুর রহমান বদিকে চট্টগ্রাম গ্রেপ্তার করা হয়।

২১ অগাস্ট সকালে বিদেশ যাওয়ার সময় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গ্রেপ্তার হন একাত্তর টিভি থেকে চাকরিচ্যুত প্রধান বার্তা সম্পাদক শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রী প্রধান প্রতিবেদক ফারজানা রুপা। উত্তরা-পূর্ব থানায় মো. ফজলুল করিম হত্যা মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

২২ অগাস্ট গুলশান থেকে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২৩ অগাস্ট রাতে ঢাকার বনানী এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন জাতীয় সংসদের সাবেক হুইপ আ স ম ফিরোজ। একই দিন সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে আটক করে বিজিবি। পরদিন সকালে তাকে কানাইঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়। ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে তাকে সিলেটের আদালতে হাজির করা হয়। পরে সিলেট থেকে হেলিকপ্টারে তাকে ঢাকায় আনা হয়। ১৮ সেপ্টেম্বর তাকে রাজধানীর ছয়টি হত্যা মামলাসহ আরও কয়েকটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ভারতে পালানোর সময় সিলেট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে সিলেটের আদালতে নেওয়া হলে তার ওপর ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করা হয়। ছবি: বাপ্পা মৈত্র

ভারতে পালানোর সময় সিলেট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সাবেক বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে সিলেটের আদালতে নেওয়া হলে তার ওপর ডিম ও জুতা নিক্ষেপ করা হয়। ছবি: বাপ্পা মৈত্র

 

ঢাকার নাখালপাড়া এলাকা থেকে ২৪ অগাস্ট ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক এমপি সাদেক খান এবং শান্তিনগরের বাসা থেকে সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী, গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর গাজীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২৫ অগাস্ট পশ্চিম নাখালপাড়া থেকে সাবেক এমপি ও আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ এবং সেদিনই উত্তরার একটি বাসা থেকে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) সভাপতি ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

২৮ অগাস্ট রাতে গুলশান এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

সেপ্টেম্বর

১ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বংশাল থানা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হন ঢাকা-৭ আসনের সাবেক এমপি হাজী মোহাম্মদ সেলিম।

২ সেপ্টেম্বর সাবেক মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু ঢাকায় আটক হন। আটকের চার ঘণ্টা পর পরিবারের জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয় পুলিশ। একই দিন বিমানবন্দর থেকে আটক করা হয় ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ হিল কাফিকে।

৩ সেপ্টেম্বর রাতে গ্রেপ্তার হন সাবেক দুই আইজিপি শহীদুল হক ও চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

৫ সেপ্টেম্বর রাতে ধানমন্ডির একটি বাসা থেকে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খানকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।

১০ সেপ্টেম্বর রাতে গুলশান এলাকা থেকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা তৌফিক-ই-ইলাহীকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিন ঝিনাইদহে সীমান্ত পাড় হওয়ার সময় সাবেক অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মেহেদী হাসান চৌধুরী গ্রেপ্তার হন।

১১ সেপ্টেম্বর রাতে মহাখালী ফ্লাইওভার এলাকা থেকে সাবেক ডিএমপি কমিশনার আছাদুজ্জামান মিয়াকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। সেদিনই ঢাকার নিকুঞ্জ এলাকা থেকে ঠাকুরগাঁও-২ আসনের সাবেক এমপি মাজহারুল ইসলাম সুজন গ্রেপ্তার হন।

১২ সেপ্টেম্বর ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালানোর সময় চট্টগ্রাম-৬ আসনের সাবেক এমপি এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী।

এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরী।

 

১৪ সেপ্টেম্বর ভোরে রাজধানীর উত্তরা এলাকা থেকে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের ছেলে সাফি মোদ্দাসের খান জ্যোতিকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিন রাতে ঢাকার ইস্কাটন এলাকা থেকে সাবেক জনপ্রশাসন মন্ত্রী ফরহাদ হোসেন গ্রেপ্তার হন। একই দিন গুলশানে জনতার হাতে ধরা পড়েন বরিশাল-২ আসনের এমপি ও ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহে আলম তালুকদার।

১৫ সেপ্টেম্বর রাতে বেইলী রোডের নওরতন কলোনী থেকে সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নুরকে এবং সেগুনবাগিচা থেকে সাবেক বিমান প্রতিমন্ত্রী মাহবুব আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৬ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টার দিকে ঢাকার আদাবর থেকে রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনের সাবেক এমপি এনামুল হক গ্রেপ্তার হন। একই দিন গ্রেপ্তার হন ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টামণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির, একাত্তর টেলিভিশনের সিইও মোজাম্মেল হক বাবু এবং ভোরের কাগজের সম্পাদক শ্যামল দত্ত। সেদিন রাতে ঢাকার শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতাল থেকে গ্রেপ্তার করা হয় সাবেক রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনকে।

২৩ সেপ্টেম্বর রাজধানীর বারিধারা এলাকা থেকে সাবেক পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক শামীমকে আটক করে র‌্যাব।

১৭ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর লালমাটিয়া এলাকা থেকে কুষ্টিয়া-৪ আসনের সাবেক এমপি সেলিম আলতাফ জর্জকে গ্রেপ্তার করা হয়।

১৮ সেপ্টেম্বর গুলশান থেকে গ্রেপ্তার হন সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া) আসনের সাবেক সংসদ এমপি তানভীর ইমাম। সেদিন রাতে গুলশানের বাসা থেকে সাবেক এমপি জাফর উল্যাহকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

১৯ সেপ্টেম্বর রাতে ডিএমপির (গোয়েন্দা) লালবাগ বিভাগের সাবেক উপকমিশনার মশিউর রহমানকে, একই দিন রাতে খাগড়াছড়ি বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টার থেকে যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মাজহারুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়।

২১ সেপ্টেম্বর রাজশাহীর চারঘাট বাজার থেকে রাজশাহী-৬ আসনের সাবেক এমপি রাহেনুল হককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

২৪ সেপ্টেম্বর রাতে ঢাকার গুলশান এলাকার নিজ ভবন থেকে সাবেক শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন গ্রেপ্তার হন।

২৯ সেপ্টেম্বর বাড্ডা থেকে ডিবি পুলিশের গুলশান জোনের সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার ইফতেখার মাহমুদকে গ্রেপ্তার করা হয়।

স্বামীসহ গ্রেপ্তার সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরী।

স্বামীসহ গ্রেপ্তার সাবেক এমপি জান্নাত আরা হেনরী।

সূত্র : বিডি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডট কম