রূপগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় যুবদল নেতা শামীম বহিষ্কার

333
ফেসবুকে ফলো করুন
  • রূপগঞ্জ প্রতিনিধি : নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের চনপাড়া পুনর্বাসন কেন্দ্রে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে যুবদলের কর্মী নিহতের ঘটনায় রূপগঞ্জ থানা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শামীম মিয়াকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নূরুল ইসলাম নয়ন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শামীম মিয়াকে বহিষ্কার করার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত ও কার্যকর করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যুবদল বহিষ্কৃত নেতৃবৃন্দের কোনো অপকর্মের দায় নেবে না। একই সঙ্গে, যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

গত ১৮ মার্চ দিনগত রাতে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে যুবদলের দুই পক্ষের সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসিব নামে যুবদলের এক কর্মী নিহত হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চনপাড়া পূর্নবাসন কেন্দ্র সাধারণ মানুষের কাছে চনপাড়া বস্তি নামে পরিচিত। চনপাড়া বস্তি অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য। এখানে মাদক, অস্ত্র, নারী ব্যবসা থেকে শুরু করে ভাড়াটে খুনি সবকিছুই চনপাড়াতে পাওয়া যায়। বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে চনপাড়ার নিয়ন্ত্রণ ইউপি সদস্য বিউটি আক্তার কুট্টির হাতে থাকে। পরে বিউটি আক্তার কুট্টি খুন হলে চনপাড়া নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে বজলুর রহমান বজলু। পরে বজলু পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার পর জেলখানায় তার মৃত্যু হয়। পরে চনপাড়ার নিয়ন্ত্রণ চলে আরে ইউপি সদস্য শমসেরের হাতে। আওয়ামীলীগ সরকার পতনের পর চনপাড়ার অপরাধ সাম্রাজ্যের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক শামীম ও রাব্বানী, করিম গ্রুপের কাছে। নিজেদের আধিপত্য টিকিয়ে রাখতেই এ দুই গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।