স্টাফ রিপোর্টার : নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে নৌকার প্রার্থী গোলাম দস্তগীর গাজীর (বীর প্রতীক) নির্বাচনি ক্যাম্প পুড়িয়ে দেয়ার ঘটনা তদন্ত করে দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার জোরালো দাবি করেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই। শনিবার সন্ধ্যায় রূপগঞ্জে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এই দাবি করেন।
এর আগে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে রূপগঞ্জের নাওড়া এলাকায় নৌকার অস্থায়ী নির্বাচনি ক্যাম্পে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কেটলি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী শাহজাহান ভূইয়ার অনুসারী দুর্ধর্ষ সন্ত্রাসী মোশারফ ওরফে মোশা এতে জড়িত রয়েছেন। খুন, অস্ত্র, চাঁদাবাজি ও ভূমিদস্যুতা সহ ৪২ মামলার আসামী মোশারফ এবারের নির্বাচনে শাহজাহানের পক্ষে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জানা গেছে, ওই ঘটনায় প্রধান নির্বাচন কমিশন, নির্বাচন অনুসন্ধান কমিটি এবং জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সহ থানায় লিখিতে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। রূপগঞ্জ থানায় মামলাও দায়ের করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত কাউকে আটক করতেন পরেনি পুলিশ।
এদিকে, শনিবার সন্ধ্যায় রূপগঞ্জে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুল হাই বলেন, ‘রাতের আঁধারে এই কাজ যারা করেছে, তাদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। যারা প্রশাসনে নিয়োজিত আছেন, এটা তাদের দায়িত্ব। এছাড়াও ইলেকশন কমিশনও এই বিষয়ে সতর্ক দৃস্টি রাখছেন। তারা এই বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছেন। কারও ক্যাম্পেই কেউ হামলা করতে পারবে না- এটাই আইন। আমি আশা করবো, ডিসি এসপি এবং প্রশাসনের দায়িত্বে যারা আছেন, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখবে এবং দোষিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিবে।’
আবদুল হাই বলেন, ‘রূপগঞ্জে নৌকার প্রার্থী হলেন আমাদের মাননীয় মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী। প্রধানমন্ত্রী তাকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী করেছেন। তিনি এর আগেও টানা তিনবার রূপগঞ্জে নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা দেখেছি ভোটের মাঠে তার অবস্থা ভালো। তাই আশা করছি তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করবে।’



